ঈশ্বরদীতে ফাঁদ পেতে সুবিধা করতে না পেরে ফিরে গেলেন প্রতারণাকারী সুমি

প্রকাশকাল- ২০:৫৫,নভেম্বর ২০, ২০১৭,রাজশাহী বিভাগ বিভাগে

salim--ishurdi 20 november 2017 (1)ঈশ্বরদী উপজেলার দিয়াড় সাহাপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী হাবিবুর রহমান বাচ্চুর বাড়িতে তার ছেলে রায়হান কবিরের স্ত্রীর দাবি নিয়ে এসেছিলেন সরিষাবাড়ির মৃত আবদুল বাছেদের কন্যা ছলনাময়ী, প্রতারণাকারী সুমি আক্তার। সুমি আক্তার রায়হানের সাথে বিয়ের কাবিন নামা দেখাতে পারেনি। এলাকার কতিপয় অসাধু ব্যক্তি হাতিয়ার হিসেবে সুমিকে ব্যবহার করছিল। প্রবাসী হাবিবুর রহমানের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেই মূলত এই প্রতারণার ফাঁদ পাতা হয়েছিল। প্রতারণার ফাঁদ পেতে সুবিধে করতে না পেরে পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় অবশেষে শশুড়বাড়িতে ফিরে গেছেন সুমি। সরিষাবাড়িতে প্রতারণাকারী সুমি আক্তারের স্বামী ও চার বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
এলাকাবাসি জানান, সুমি আক্তারের চাল চলন ভালো নয়, উৎশৃঙ্খল, চতুর প্রকৃতির ও ধান্দাবাজ। সৌদি প্রবাসী হাবিবুর রহমান বাচ্চুর পরিবার খুবই নিরিহ। বাচ্চুর পরিবারের সকল সদস্য দির্ঘ দিন থেকে সৌদিতে থাকেন। এলাকার কতিপয় অসাধু ব্যক্তির যোগ সাজসে প্রতারণার মাধ্যমে প্রবাসী হাবিবুর রহমানের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতারণাকারী সুমিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছিল। প্রতারণার অপকৌশল ফাঁস হয়ে যাওয়াতে সুমি তার শশুরবাড়ি সরিষাবাড়িতে চলে গেছে।
রায়হান কবিরের চাচা মোঃ আমিরুল ইসলাম বার্তা সংস্থা পিপ‘কে জানান, সুমি নামের একটি মেয়ে গত ৯ নভেস্বর আমার ভাতিজা রায়হান কবিরের স্ত্রীর দাবি নিয়ে আমাদের বাড়িতে উঠেন। রায়হানের পরিবারের সকল সদস্য সৌদি আরবে থাকেন। সুমি আক্তার বিয়ের কাবিন নামা দেখাতে পারেনি। বিয়ের কাগজপাতি দেখতে চাইলে সুমি ৮ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে নোটারী পাবলিক ভূয়া একটি ষ্ট্যাম্প দেখান যার এক মাস পূর্বে আমার ভাতিজা রায়হান কবির ৮ অক্টোবর ২০১৭ সৌদি এয়ারলাইন্সে সৌদি আরবে গেছে। সরিষাবাড়িতে সুমির স্বামী ও চার বছরের একটি মেয়ে আছে। শশুড়বাড়ি থেকে মাঝে মধ্যেই উধাও হয়ে যায় এবং কয়েকদিন পর বাড়ি ফিরে আসে বলে সুমির শশুর বাড়ির লোকজন জানিয়েছেন। কতিপয় অসাধু ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে আমার ভাই প্রবাসী হাবিবুর রহমানের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য ছলনাময়ী, প্রতারণাকারী, মক্ষিরাণী সুমিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছিল। প্রতারণার অপকৌশল ফাঁস হয়ে যাওয়াতে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সকল পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় সুমি তার শশুরবাড়িতে চলে গেছে।
সাহাপুর ইউপি সদস্য মোঃ তহিদুল ইসলাম তুহিন বলেন, দিয়াড় সাহাপুর গ্রামের রায়হান কবিরের স্ত্রীর দাবি নিয়ে সরিষাবাড়ির মৃত আবদুল বাছেদের কন্যা সুমি আক্তার কয়েকদিন আগে আসেন। সুমি আক্তার রায়হানের সাথে বিয়ের কাবিন নামা দেখাতে পারেনি। রায়হানের পরিবারের সকল সদস্য সৌদি প্রবাসী। রায়হান সৌদিতে চলে যাবার এক মাস পরের তারিখের নোটারী পাবলিক একটি ষ্ট্যাম্প দেখায়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। বিয়ের কাবিন নামা দেখাতে না পারায় স্থানীয় জনগনের উপস্থিতিতে স্বেচ্ছায় সুমি তার ঠিকানায় ফিরে যান।