গাজীপুরে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে র‌্যালি

প্রকাশকাল- ১৯:১৭,অক্টোবর ১৩, ২০১৭,ঢাকা বিভাগ বিভাগে

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান (আতিক), গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি ঃ

SAMSUNG CAMERA PICTURES

SAMSUNG CAMERA PICTURES

বিশ্ব ডিম দিবস-২০১৭ উপলক্ষে গাজীপুরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ডিম দিবসের স্লোগান, ছিল “সুস্থ সবল জাতি চাই, সব বয়সেই ডিম খাই”।

বিশ্ব ডিম দিবস পালন উপলক্ষে ১৩ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০ টায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ড্রাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল ও জেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ণ কেন্দ্রে গিয়ে শেষ হয়।

র‌্যালি শেষে ডিমের গুনাগুন নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যে কোন বয়সে ডিম খাওয়া যায়। ডিম কারো শরীরের কোন ক্ষতি করেনা। গতকাল বৃহস্পতিবার এবং আজ শুক্রবার বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে বিনামূল্যে সাড়ে ১০ হাজার ডিম বিতরণ করা হয়েছে।

র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মারুফ, জেলা ভেটেরিনারী হাসপাতালের ভেটেরিনারী সার্জন (ভিএস) ডাঃ মোঃ লুৎফর রহমান, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কৃত্রিম প্রজনন সহকারী মোঃ বিল্লাল হোসেন খান, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ সহকারী (ইউএলএ) মোঃ আনিছুর রহমান সিদ্দিকী, সদর উপজেলা ভেটেরিনারি ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট (ভিএফএ) মোঃ নুরুল ইসলাম, ভিএফএ মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডাল গবেষণা উপ-কেন্দ্রের কম্পিউটার অপারেটর মোঃ শাহজাহান, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফেরদৌসি বেগম, ডিএনএ এগ্রো ফার্মার সিইও মোঃ মাহফুজুর রহমান, গাজীপুর জেলা ও সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পোল্ট্রি মালিক-ব্যবসায়ী ও মেডিকেল সেলস রিপ্রেজেন্টাটিভগন।

পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপস্থিত সকলের মাঝে বিনামূল্যে সিদ্ধ ডিম বিতরণ করা হয়।

র‌্যালি শেষে আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ৩ টাকা পিস দরে তিন হাজার পিস (১০০ কেস) ডিম বিক্রি করা হয়।