গুগলের কাছে তথ্য চেয়ে সরকারের ৮ আবেদন, ২৫ শতাংশ সাড়া

প্রকাশকাল- ০৯:৪১,অক্টোবর ১, ২০১৭,তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে

1506771289চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে গুগলের কাছে ৯টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বৃহস্পতিবার গুগলের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে বলা হয় এসব আবেদনের ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য প্রদান করা হয়েছে।
গুগলের ‘স্বচ্ছতা’ প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়, সরকারগুলো রেকর্ড পরিমাণ গুগলের কাছে ব্যক্তিগত তথ্যের আবেদন করেছে গত ছয় মাসে, এবং কী পরিমাণ তথ্য গুগল প্রকাশ করেছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে জুন মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত সময়ে ৪৮ হাজার ৪৯১টি আবেদন এসেছে ৮৩ হাজার ৩শ ৪৫টি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে। এই আবেদনের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪ হাজার বেশি।  গুগল এই আবেদনের জবাব দিয়েছে, অর্থাৎ ৫৪ হাজার অ্যাকাউন্টের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায় বাংলাদেশ সরকার এই সময়ে ৯টি অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তথ্য চেয়ে আটটি আবেদন করেছে। গুগল এই সময়ে ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে তথ্য প্রদান করেছে। ২০১৬ সালের দুই প্রান্তিকে ৬টি অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তথ্য চেয়ে ৫টি আবেদন করেছিল। ২০১৫ সালে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ১৩টি অ্যাকাউন্টের বিষয়ে ৭টি আবেদন করেছিল, ৫৭ শতাংশ ক্ষেত্রে গুগল তথ্য প্রকাশ করে।
বিশ্বজুড়ে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু ও তদন্তের স্বার্থে টেক কোম্পানিদের কাছে তথ্য চেয়ে আবেদনের সংখ্যা বেড়েছে। গুগলের অনেক সেবার কারণে কারো ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রদান করা হলে সেখানে জিমেইল বার্তা, সংরক্ষণ করা ডকুমেন্ট, ইউটিউবে দেখা ভিডিও, গুগল ড্রাইভ, সার্চ এক্টিভিটি, লোকেশনসহ বিশাল পরিমাণ ব্যক্তিগত তথ্য চলে যায়। ২০১৩ সালে এই আবেদন প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে মার্কিন সরকারের সঙ্গে আইনি লড়াই করেছিল সংস্থাটি।
২০১৭ সালে গুগল ১৫০০ ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে ৫০০ ‘জাতীয় নিরাপত্তা’ আবেদন পেয়েছিল। এই আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো বিচারকের অনুমোদন প্রয়োজন পড়ে না কারণ এতে এফবিআই অনুমোদন করে। মার্কিন সরকারের এফআইএসএ সংশোধনীর সেকশন ৭০২ ধারা অনুযায়ী গুগল মার্কিন সরকারকে তথ্য প্রদানে বাধ্য, এই সংশোধনীর মেয়াদ ২০১৭ সালে শেষ হবে। গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন ইন্টারনেট সার্ভেইলেন্স বিল সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে।