গুরুদাসপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর শিশুর লাশ উদ্ধার পরিবারের দাবি হত্যা

প্রকাশকাল- ১৯:০৭,সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭,চলনবিলের সংবাদ বিভাগে

গুরুদাসপুর (পৌর) প্রতিনিধি.
নাটোরের গুরুদাসপুরের জুমাইনগর গ্রামে নিখোঁজের তিন দিন পর বাড়ি থেকে প্রায় ৩শ গজ দুরে ডোবা থেকে আহম্মদ আলী নামে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর লাশ পাওয়া গেছে। নিহত আহম্মদ আলী জুমাইনগর গ্রামের মন্তাজ আলী মুন্সীর ছেলে।
জানা যায়, বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের হামলাইকোল গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে শামসুল ইসলাম শ^শুরবাড়ি থেকে এসে বাড়ির পেছনের গেট খুলে তার ডোবায় শিশুটির লাশ ভেসে থাকতে দেখেন। পরে নিহতের বাড়ি ও থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
শিশুর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি প্রতিবেশী লিপি বেগম (৩২) কে মা বলে ডাকতো। এ কারণে লিপি প্রায়ই শিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে রাখতেন। অন্যান্য দিনের মত সোমবারও লিপি তার নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলে শিশুটি কিছু সময়ের ব্যবধানে নিখোঁজ হয়। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে শিশুটির স্বজনসহ স্থানীয়রা খোঁজাখুজি করেও তাকে পায়নি। অবশেষে তিনদিন পর তার লাশ পাওয়া েেগল। এ ঘটনায় শিশুর পিতা মন্তাজ মুন্সি মঙ্গলবার গুরুদাসপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছিলেন।
এ ব্যাপারে শিশুর পিতা মন্তাজ আলী বলেন, আমার ছেলের লাশ যেখানে ছিল, সেখানে সে কোনভাবেই যাওয়ার কথা নয়। কেউ অন্যত্র তাকে হত্যা করে ডোবায় তার লাশ ফেলে রেখে গেছে। আমি তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবী করছি।
প্রতিবেশী লিপি বেগম দাবি করেন, নিখোঁজের দিন আহম্মদ আমার বাড়ির ভেতরেই খেলছিল। এ সময় আমি সাংসারিক কাজ করছিলাম। কিছুক্ষণ পরে দেখতে না পেয়ে বাড়ির সব জায়গায় খোঁজ করেও না পেয়ে তার বাবা-মাকে খবর দেই।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলীপ কুমার দাস বলেন, খবর পেয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটা হত্যা কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে পোষ্টমর্টেম রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।