চলনবিলে জমে উঠেছে ‘পথে পথে গান’

প্রকাশকাল- ২১:১৯,আগস্ট ১১, ২০১৭,চলনবিলের সংবাদ, স্লাইডশো বিভাগে

CHALONBIL PHOTO--3333মহৎ কিছু করতে চাইলে বয়স কোনো বাঁধা হতে পারে না। বরং জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চাইলে এবং নিজের কাজের গতিকে বাড়িয়ে নিতে চাইলে চাই পেশাদারি মনোভাব ও মেধা। একই সঙ্গে থাকা চাই জীবনে এগিয়ে যাবার পথে সকল ধরনের বাঁধাকে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষমতা অর্জন। উপরোক্ত কথাগুলো বলা যতটা সহজ, করা ততটাই কঠিন। কিন্তু এই কঠিন কাজই অল্পসময়ের মধ্যে করে প্রমাণ দেখিয়ে যাচ্ছেন চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশের তরুণ সাংবাদিক সোহেল রানাসহ তার সহযোগীরা।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সোহেল রানা হৃদয়ে লালন করে শিল্প, সাহিত্য ও সঙ্গীতকে। বর্তমান সমাজে কাজের ব্যস্ততায় মানুষ যখন বিনোদনকে হারাতে বসেছে ঠিক সেই মুহূর্তে সিরাজগঞ্জের বৃহত্তর চলনবিলের মানুষের মনে একটু বিনোদনের সাড়া জাগাতে শুরু হয়েছে অবহেলিত পথ শিল্পীদের নিয়ে ধারাবাহিক সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান ‘পথে পথে গান’।
সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে আমরা শ্লোগানকে বুকে ধারণ করে চলনবিলের তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে-গঞ্জে-পথে প্রান্তরের শিল্পীদের নিয়ে তরুণ সাংবাদিক সোহেল রানা সোহাগের প্রযোজনা আয়োজন করা হয়েছে ‘পথে পথে গান’।
তরুণ সাংবাদিক সোহেল রানা সোহাগের প্রযোজনা ও সার্বিক প্রচেষ্টায় বিভিন্ন গ্রামে, হাটবাজারে, স্কুলে-কলেজে পৌছে শিল্পীদের গান রেকর্ড ও ভিডিও ধারন করে হান্নান নিপু’র ব্যবস্থাপনায় তাড়াশ ক্যাবলে ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হচ্ছে। সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার রাত ৮টায় ও পুনঃ প্রচার করা হচ্ছে শনিবার সকাল ১০টায়। এছাড়াও অনুষ্ঠানটি সোস্যাল মিডিয়া-ফেসবুক ও ইউটিউবেও পাওয়া যাচ্ছে। ফেসবুক বা ইউটিউবে ‘পথে পথে গান’ লিখে সার্চ দিলেই চলে আসছে অনুষ্ঠানটি।
তাড়াশ ক্যবলের পরিচালক আব্দুল হান্নান নিপুর ব্যবস্থাপনা, হাদিউল হৃদয়ের পরিকল্পনায় ও লিমন কবির ও সানোয়ার হোসেনের ভিডিও সম্পাদনায় অনুষ্ঠানটি চলনবিল আঞ্চলের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। অনুষ্ঠান প্রচারের সময়টি ছুটির দিন শুক্রবার হওয়ায় দিনদিন দর্শকপ্রিয় অনুষ্ঠানটি সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ মানুষেরা দখতে পারছেন। সেই সাথে দিন দিন জমে উঠতে শুরু করেছে ‘পথে পথে গান’র এ অনুষ্ঠানটি।
পথে পথে গানের অনুষ্ঠানের প্রযোজক তরুণ সাংবাদিক সোহেল রানা সোহাগ জানান, অর্থ দিয়েই সব কাজই হয় না। আর সব পাখি নিজের জন্য বাসা বাধেনা, কিছু পাখি আছে যে অন্যের বাসা বাধার মাঝেই সুখ খুজে পায়। আমি সেই পাখিদের মতোই একজন হতে চাই। আমাদের সিরাজগঞ্জ জেলার সর্ববৃহৎ চলনবিলের গ্রাম-গঞ্জের কৃষ্টি-কালচার ও হারানো সঙ্গীতগুলো মানুষের মাঝে তুলে ধরতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ জন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।
এ পথে পথে গানের বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক বলেন, আমি তাড়াশ ক্যাবলে অনুষ্ঠানটি দেখেছি। আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। এ ধরনের উদ্দ্যোগ আরো পূর্বেই নেওয়া উচিত ছিল। তবে একঝাক তরুণ যে উদ্দ্যোগটি নিয়েছে আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। অনুষ্ঠানটি ধরে রাখতে আমাদের সকলের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো। আমি লক্ষ্য করেছি অনুষ্ঠানটি দর্শকের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।