” চলেছেন প্রিয়ব্রত বৃন্দাবন ধামে”

প্রকাশকাল- ১৪:০৪,অক্টোবর ১১, ২০১৭,অনাবিল সাহিত্য বিভাগে


♦প্রিয়াঙ্কা সরকার ♦
প্রিয়জন প্রিয়পরিবার কে না চায় বলো, তবে সে যদি আপন অবয়বে মুক্তচেতন ভাবনার আধ্যাত্ম রসের সাঙ্গিক হয় তবে তা সার্থক জীবনের অঙ্গিকার। আজ সেই আধ্যাত্ম ভাবনার শৌর্য মননে কালি কলম।
১১.১০.১৭
rajhal
প্রিয়ব্রত তুমি তথাগত প্রাণ, তাই তোমায় মধুর আরতি কি করে শেখাই বলো তো? এ ধৃষ্টতা আমার হবে না। তুমি তুলসীর অরণ্যে আছো এ যে পরম পাওয়া গো, তবে ও তুলসী তোমায় পেয়ে হয়েছে ধন্যা। কেন যেন, রতনে যে রতন চেনে গো। প্রিয়ব্রত প্রেমের আধ্যাত্ম মননে তুমি আবেদনের শরিক আমি জানি, তাই যেদিন যমুনার কোল ধেঁষে তুমি চলেছিলে, সেদিন যমুনার জলে যমী বলেছিল যে, তার জলে মৃত্যুযন্ত্রণা দূরীভূত হয়। তবে সেই যন্ত্রণার জলে এতো মানুষের নির্ভেজাল ভালোবাসা যন্ত্রণা যেন না হয়, এ কৃপা বয়ে নিয়ো আসতে বলছি তোমায়। আসতে পারবে তো তুমি? নিধুবন আর সেবাকুঞ্জে দুটি ছোটো তুলসীবনের ঝাড়ি আর তোমার নিবাস। আশ্রম কুঠি তোমার, সে কুঠিতে হরি আঘ্রাণ। প্রিয়ব্রত, তুমি যখন গোঠের সারি দিলে আমায়, আমি যেন ভ্রমে ভ্রাম্য আলাপে তাদের সঙ্গী হয়েছিলাম। ভাবের বিলাসিতা করতে করতে সেই তুলসী ঝাড়ির আশ্রয় খুঁজে একাকী হরি নামের মধুর সুবাস আঘ্রাণ করেছি। তুমি জানো কি, প্রিয়ব্রত ঐ যমজ প্রবাহে আমি মোক্ষ পেয়েছিলাম। তবে তোমার সাথে সে দর্শন সার্থক আমার। কারণ তুমি যোগী, তাই সে সাধনার রতন তুমি। আর তোমার গুণে গুণান্বিত আলেখ্য সম্ভার আমার। বস্তু, আত্মা, দিব্য করণের জাতক তুমি, মোক্ষতেই প্রাপ্তি। ভালো থেকো প্রিয়ব্রত। ঐ চরণ দুইয়ে জল দিয়ে গোঁসাই প্রণাম করলাম। ফুল যে নেই প্রিয়ব্রত, তাই অন্তরের অর্ঘ্যপাত্র সাজিয়ে দিলাম। শান্তির স্তব্ধ আবেদনে সে নিত্যানন্দ সঁপলাম। নামের সুর তাল সংযোগে আজ তাই সুখের আলাপী হলাম। ভালো থাকার ইচ্ছাপূরণের আবেদনে তোমার যাত্রা সুখ আশা রাখি।