জীবন জ্যোতির মোড়ক উন্মোচন ও শিক্ষা- সাংস্কৃতিক পরিষদের মিলনমেলায় একদিন

প্রকাশকাল- ২০:০৭,জুলাই ১১, ২০১৭,মুক্ত চিন্তা বিভাগে

এবাদত আলী

নব-নির্মিত ঈশ্বরদী- ঢালারচর রেল লাইনের টেবুনিয়া রেলষ্টেশন থেকে পুর্ব দিকে টেবুনিয়া-চাটমোহর পাকা সড়ক পেরিয়ে রেল ক্রসিং বার। এই রেল ক্রসিং বার ঘেঁষেই নির্মাণ করা হয়েছে একটি সুদৃশ্য তোরণ। তোরণটি টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের দপ্তর সম্পাদক সেলিম মন্ডলের সৌজন্যে নির্মিত বলে লেখা রয়েছে। সেখান থেকে সামান্য একটু এগিয়ে গিয়েই টেবুনিয়া মহিলা কলেজ। এই মহিলা কলেজ মিলনায়তনে ৮ জুলাই, ২০১৭, অনুষ্ঠিত হলো টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের উদ্যোগে প্রকাশিত স্মরণিকা “জীবন জ্যোতি”র মোড়ক উন্মোচন, পর্ষদ পরিচিতি, ঈদ পুনর্মিলনী, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গত বছর ১ মে তারিখে স্থাপিত এই বৃহৎ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের এটাই প্রথম এমন জমকালো অনুষ্ঠান। উক্ত প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সাদেক আলী বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সাইফুল ইসলাম শুভ কর্র্তৃক একটি দাওয়াত পত্র বেশ কদিন আগেই পেয়েছিলাম। সে মোতাবেক নির্ধারিত দিন আষাঢ়ের শেষ প্রান্তে মেঘলা আকাশের গুমোট পরিবেশে অনুষ্ঠান শুরুর বেশ কিছুক্ষণ আগে অর্থাৎ সকাল সাড়ে নটায় অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে পৌঁছলাম। যথা নিয়মে রেজিষ্ট্রেশনের পর আমার গলায় একটি পরিচিতি কার্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হলো।
টেবুনিয়া শিক্ষা – সাংস্কৃতিক পরিষদের স্বপ্নদ্রষ্টা ও সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাট্যকার এইচ কে এম আবু বকর সিদ্দিকসহ আয়োজকদের অনেকের সঙ্গেই কুশল বিনিময় হলো। পরিষদের মোট এক শো চুয়াত্তরজন সদস্যের মধ্যে তখন মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন সদস্য উপস্থিত। অতিথিবৃন্দের কথা নাই বা বল্লাম। তাঁরা দেশের ও দশের কাজে অতি ব্যস্ত মানুষ তাই সময় সম্পর্কে তাদের খেয়াল না থাকারই কথা। আর রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীর শুভাগমণের কথা থাকলে তো কোন কথাই নেই। আসলে সময় সম্পর্কে আমরা বাঙালিরা আগাগোড়াই একটু অন্যমনষ্ক। এটা আমাদের মজ্জাগত ঐতিহ্য বলা যেতে পারে। কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন,“ভদ্র মোরা শান্ত বড়ো/পোষ মানা এ প্রাণ/ বোতাম আটা জামার নীচে শান্তিতে শয়ান। দেখা হলেই মিষ্ট অতি/ মুখের ভাব শিষ্ট অতি/অলস দেহ ক্লিষ্ট গতি—গৃহের প্রতি টান। তৈল ঢালা ¯িœগ্ধ তনু/ নিদ্রা রসে ভরা,/ মাথায় ছোটো বহরে বড়ো বাঙালি সন্তান।” কথায় বলে নয়টার ট্রেন কয়টায় যায়। এও যেন তাই। অতিথিদের আগমণ প্রতিক্ষার প্রহর যখন শেষ হলো তখন ঘড়ির কাটা এগারোটা বিশ। ততক্ষণে পরিষদের সদস্য এবেং আমন্ত্রিত অতিথিেেদর আগমণে পুরো মিলনায়তন ভরপুর।
অবশেষে সকাল সাড়ে এগারোটায় অনুষ্ঠান শুরু হলো। সভাপতির আসন অলংকৃত করলেন টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাট্যকার এইচকেএম আবু বকর সিদ্দিক। পাবনা জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালো’র প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা। নানা ব্যস্ততায় তিনি না এসে তাঁর প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্টেট শফিউল ইসলামকে পাঠিয়েছেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম এর বদলে তিনি পাঠিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসকে। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো ছিলেন পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর শিবজিত নাগ, পাবনা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল আহমেদ সিদ্দিকী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, বাংলা ভিশনের পাবনা জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক ইছামতি পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আঁখিনুর ইসলাম রেমন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পাবনা জেলা ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার-১ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাতেন ও বিশিষ্ট চলচিত্র নির্মাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র পুরুষ্কারপ্রাপ্ত “ গাড়িওয়ালা” ছায়াছবির পরিচালক আশরাফ শিশির। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সাইফুল ইসলাম শুভ, বিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী এবং পরিষদের সন্মানিত সদস্য মেহেরুন্নেছার সাবলিল উপস্থাপনায় সংগঠনের বিভিন্ন সদস্যকে দিয়ে অতিথিবৃৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছার পর্ব শেষ করা হলো। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হলো। এরপর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্বরণে সকলে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট সময় নিরবতা পালন করা হলো। পরিষদের প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও স্বরণিকা “জীবন জ্যোতির”র সম্পাদক, সহকারি অধ্যাপক কেএম রবিউল ইসলাম রবি স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করলেন।
টেবুনিয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পষিদের পক্ষ হতে প্রকাশিত স্বরণকিা ‘ জীবন জ্যোতি”র মোড়ক উন্মোচন করা হলো। মোড়ক উন্মোচন করলেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পাবনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট শফিউল ইসলাম। উপস্থিত সকলকেই একটি করে কপি প্রদান করা হলো। সেই সাথে রজনীগন্ধার ষ্টিকও। “ হৃদয়ে আমার সংস্কৃতি” এই স্লোগান নিয়ে প্রকাশিত জীবন জ্যোতির প্রকাশ কাল ১ মে ২০১৭। মহীয়সী প্রকাশ কর্তৃক মুদ্রিত ৬০ পৃষ্ঠার এই স্বরণিকায় সভাপতির কিছু কথা এবং সম্পাদকের কিছু কথাসহ শুভেচ্ছা বাণী দিয়েছেন, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আল-নকীব চৌধুরী, পাবনা জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালো, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোছাঃ নূরজাহান খাতুন, সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.মোঃ হুমায়ুন কবির মজুমদার, পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম, ঢাকা ডিসি. ডি এম পি মোঃ আলমগীর কবির, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রফেসর শিবজিত নাগ, পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আঁখিনুর ইসলাম রেমন, সহ-সভাপতির কথা লিখেছেন, টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সহ-সভাপতি মেজবাহুর রহমান চৌধুরী। অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ সাইফুল ইসলাম শুভ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার মিয়া, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মফিজ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আ.ন.ম ফজলুর রহমান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আটঘরিয়ার দেবোত্তর ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সাইদুর রহমান।
আশাহত জীবনের চালিকা শক্তি শিক্ষা ও সাংস্কৃতি বিষয়ে লিখেছেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ পাবনা জেলা শাখার সভাপতি, দোগাছি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মেনহাজ উদ্দিন, আমার ভাবনায় টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ বিষয়ে লিখেছেন আটঘরিয়ার পারখিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম নাজমূল হক, সাহিত্য চর্চা ও সংস্কৃতির আরাধনা হোক অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রোহ বিষয়ে লিখেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মালিগাছা ইউনিয়ন কমান্ডের কমান্ডার ও টেবুনিয়া ওয়াছিম পাঠশালার সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ মোঃ হারেজ আলী, কূজিত হোক ব্যাপ্তি পাক কালে কালে সাংস্কৃতির প্রাণ পুরুষেরা- লিখেছেন টেবুনিয়া ওয়াছিম পাঠশালার সাবেক প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাহিদ হাসান, আমার প্রেরণার উৎস বিনি সুতোর মালা টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ বিষয়ে লিখেছেন, আটঘরিয়া ডিগ্রী (অনার্স)কলেজের সহকারি অধ্যাপক (মার্কেটিং বিভাগ) মোঃ বাবুল আকতার, অগ্নিবীণার মত জ্যোতি ছড়াক টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ- লিখেছেন, আটঘরিয়ার পারখিদিরপুর ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোঃ মকবুল বিশ্বাস। জাতীয় জীবনে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল একে অপরের পরিপূরক বিষয়ে লিখেছেন, বাংংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মালিগাছা ইউনিয়ন কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার সাংবাদিক ও কলামিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা এবাদত আলী। আ.ন.ম ফজলুর রহমানের কবিতা আলোকবর্তিকা এতে স্থান পেয়েছে। এর পর রয়েছে পষিদের কর্মকর্তা ও সদস্যদের ছবি সম্বলিত সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত। তাতে মোট ১শ ৭৪ জন সদস্যের মধ্যে সরকারি ও শায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্র্তা ৮ জন, পিএইচডি/ ডক্টরেট ১ জন, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ ৫ জন, সহযোগি অধ্যাপক ১ জন, মাদরাসা সুপার ২ জন, সহকারি অধ্যাপক ৭ জন, প্রভাষক ১৭ জন, বর্তমান ও সাবেক প্রধান শিক্ষক ৪ জন, শিক্ষক ১৪ জন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫ জন, দৈনিক পত্রিকা সম্পাদক ৩ জন, সাপ্তাহিক পত্রিকা সম্পাদক ১ জন, সাংবাদিক কলামিস্ট ১ জন, সাংবাদিক ৪ জন, চিকিৎসক ২ জন এমবিবিএসসহ ৫ জন, এমবিবিএস এমএস (অধ্যয়নরত) ১ জন, ষ্টাফ নার্স ১ জন, এল এল বি ৫ জন, এনজিও কর্মকর্তা ৫ জন, কেজি স্কুল পরিচালক ১ জন, হাজী সংখ্যা ৫ জন, প্রকাশক ১ জন, ইঞ্জিনিয়ার ৫ জন, আধ্যত্মিক ব্যক্তিত্য ১ জন, নাট্যকার ১ জন, নাট্য কর্মি ও নাট্য নির্মাতা ৬ জন, ফিল্ম ও মিডিয়া বিষয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র ১ জন, কন্ঠশিল্পী ৪ জন, গীতিকার ২ জন, কবি ৩ জন সাহিত্যিক ২ জন, ছাত্র ৪ জন, মওলানা ৩ জন, ক্বারি ১ জন, ক্রীড়াবিদ ১ জন, পোষ্ট মাষ্টার ১জন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ১৪ জন, ইউপি চেয়ারম্যান ৩ জন, অবসরপ্রাপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ১ জন, প্রবাসী, সভাপতি বৃহত্তর পাবনা জেলা সোসাইটি বাহরাইন ১ জন, ঠিকাদার ১ জন, এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিগণ রয়েছেন।
এরপর বক্তৃতার পালা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দিলেন পরিষদের সন্মানিত সদস্য বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মালিগাছা ইউনিয়ন কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা এবাদত আলী, দেবোত্তর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান, পারখিদিরপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম নাজমুল হক ও টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সহ-সভাপতি মেজবাহুর রহমান চৌধুরী। প্রথামাফিক প্রধান অতিথিও বিশেষ অতিথিবর্গ তাদের জ্ঞানগর্র্ভ বক্তব্য উপস্থাপন করলেন। তাঁদের বক্তব্যে আ্যান্ড্রয়েড ফোন আর আকাশ সংস্কৃতি যখন দেশীয় এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির উপর সজোরে আঘাত হেনেছে। তছনছ করে দিয়েছে সাংস্কৃতিমনা সমাজকে ঠিক তখনই এই গ্রামীণ সংস্কৃতিকে উজ্জীবিত করতে যুবসহ সাংস্কৃতিমনা মানুষকে এক কাতারে নিয়ে এসে সংস্কৃতিমনা সমাজ বিনির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে এই বাক্যগুলোই বার বার উচ্চারিত হয়েছে। এর পাশাপাশি আমাদের যুব সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা, ধর্মের নামে জঙ্গিবাদের উত্থানের প্রতিরোধ তথা সামাজিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করার বিষয়ে এই শিক্ষাও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাবে মর্মে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পাবনা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কামাল আহমেদ সিদ্দিকী এই পরিষদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার সহায়তা হিসেবে ২০ খানা চেয়ার প্রদানের কথা ঘোষণা করেন। প্রধুান অতিথি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রট শফিউল আলম টেবুনিয়া শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদের স্থায়ী কার্যালয়ের ব্যবস্থা এবং রেজিষ্ট্রেশনের বিষয়ে পাবনা জেলা প্রশাসক এর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের আশ্বাস দেন। অতিথিবর্গ টেবুনিয়াতে এই ধরনের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠােেনর স্বপ্নদ্রষ্টা ও রূপকার বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাট্যকার এইচ কে এম আবু বকর সিদ্দিকসহ সকল সদস্যকে ধন্যবাদ দেন এবং ভুয়সী প্রশংসা করেন।
এক সময় জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি দেওয়া হয়। পরবর্তী পর্যায়ে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সুচনা সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন, আ ন ম ফজলুর রহমান, মেহেরুন্নেছা, সাইফুল ইসলাম শুভ, পিন্টু কুমার বিশ্বাস, লতিফা আকতার রীতা ও রাজশাহী বেতার শিল্পী বাবু। তবলায় ছিলেন আমিরুল ইসলাম মুজাম।
সবশেষে নাট্যকার ও নাট্য নির্মাতা এইচ কে এম আবু বকর সিদ্দিক রচিত প্রভাষক সাইফুল ইসলাম শুভ পরিচালিত চিত্রায়িত নন্দিত নাটক “ সাবিত্রী চৌধুরীর প্রেতাত্মা” বড় পর্র্দায় প্রদর্শিত হয়।  (লেখক: সাংবাদিক-কলামিস্ট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা)