জীবন সৈকতে মালী

প্রকাশকাল- ১৪:৪৬,আগস্ট ১, ২০১৭,অনাবিল সাহিত্য বিভাগে

 

pp23

প্রিয়াঙ্কা সরকার

সাধারণীর রোজনামচা আজ মালীর আবেদনে
যৌক্তিক ভিন্ন নামকরণ হলো কি!
আমার?
তবে উওরে মনের বিভূষা পাঠ করি আজ,
আমার আস্বাদনের বাহু আজ চরিত্র আঁকে
বিশেষ ছেড়ে তার সর্বজন সমাহার।
কথক হয়ে বলব আমি তার জীবনের নিবেদনে
খেটে খাওয়া মানুষের এক অচ্ছেদ্য প্রেম,
বৃক্ষের সমাহারে।

স্নেহ যখন ব্যক্তি ছেড়ে সামগ্রিকে হাত বাড়ায়,
প্রাকৃতিক আত্মনিয়োগে আবেদন করে
দুর্নিবার,
সে আবেদনের মুক্ত বাহুতে পেটের আহার তার,
আজ ভূম ভূপুত্র তুমি পুষ্প ভূতি বাহার।

সৃষ্টি কর্তা ব্রহ্মা,
আজ মালী ‘- তোমার ব্রাত্য নয়,
তুমি সৃষ্টিধর মানব আত্মার,
তোমার উপলক্ষ সে যে ক্রীড়নক ব্যাস।

মায়ের ন্যায় স্নেহরস সুধা তোমার,
বৃন্ত বাহারে অযাচিত পুষ্পের মুক্ত অঙ্গন তোমার,
পুষ্প যেমন গন্ধ বিলায় তোমার সৌকর্যে
তুমি চেতন সুন্দরের বোঢ়া শ্রষ্ঠা।

ভূমি, সলিল, প্রবোধ সম্পূর্ণ অবয়ব,
প্রকৃতি নারী, তার বোধন তুমি
কর্ষণে তোমার উৎকর্ষতা পায়,
যতেœ তোমার বৃন্ত হতে ফুলের স্বাদ,
এ অবয়ব গঠনে তোমার বৈরাগ্যভাব।

সৃজন যেদিন বৌষয়িক হয়ে তোমায় ধরা দেয়,
তুমি প্রকৃতি সৃজনে বিষুব অবয়বে সৈকত পারাবার।
তবে কি বিষমাক্ষ নও তুমি?
প্রলয়ের কাল নও,
সৃজনের ধামে প্রতিবন্ধকও নও
আজ নরকবি সৃজনে আমার মুক্ত
বিষাণ বাজে,
চরিত সাধনে জীবন বিষয়ী ভূত,
সৃজন বিশ্বপা স্বরূপে,
প্রত্যয় আলাপে…
আমি একাই