তাড়াশে উপজেলা প্রকৌশলীর হাতে উপ-সহকারী লাঞ্চিত

প্রকাশকাল- ১৪:২০,অক্টোবর ২০, ২০১৭,চলনবিলের সংবাদ বিভাগে

লাঞ্চিততাড়াশ(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে উপজেলা প্রকৌশলীর হাতে জনসম্মুখে উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উপজেলা জুড়ে টক অব দ্য টাউন পরিনত হয়েছে। তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঠিকাদার সমিতি ও প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে উপজেলার হাসপাতাল গেট এলাকায়।
জানা যায়, তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো. বাবুল আক্তার তার অধিনস্থ উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ফরিদুল ইসলামকে জনসম্মুখে অকথ্য ভাষায় গালীগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেছেন।
তাড়াশ উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম ফরিদ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মাগুড়া বিনোদ সড়কের জন্য ব্লক তৈরি কাজ দেখার জন্য হাসপাতাল গেটে যাচ্ছিলাম ।
এ সময় তাড়াশ- সলঙ্গা সড়কে পাকাকরণ উদ্ধোধনের জন্য অপেক্ষারত জনগন, বিভিন্ন নেতাকর্মী ও উপজেলা প্রকৌশলী বাবুল ছিলেন। এমতবস্থায় তিনি আমাকে নাম ধরে ডাক দেন। সেখানে যাওয়া মাত্র আমাকে অকথ্য খারাপ ভাষায় (যা প্রকাশ করা মত নয়) গালীগালাজ করে। বলেন তুই কার হুকুমে ঠিকাদারকে ব্লক তৈরি করার অনুমতি দিছিস। এসময় তাকে বলি স্যার বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও সিরাজগঞ্জ জেলা নিবার্হী প্রকৌশলী রবিউল করিম স্যার সরজমিনে দেখে-জেনে আমাকে অনুমতি দিয়েছেন। এ সময় তিনি ( প্রকৌশলী বাবুল আখতার) আমাকে কিলঘুষি মারে ও হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে। একপর্যায়ে তাকে জানাই আমার ভুল হলে অফিসে ডেকে বলবেন জনগণের মধ্য কেন। তখন অকথ্য ভাসায় গালীগালাজ করেন। শুধু তাই নয় তিনি মের্সাস চৌধুরী এন্টার প্রাইজের মাগুড়া থেকে নাদোসৈয়দপুর পর্যন্ত একটি কাজ পান। সেখানে তদারকীর জন্য আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। উপজেলা প্রকৌশলী মাঝে মধ্যই ঠিকাদের ভুল ধরার জন্য বলেন। কিন্তু ভুল না পাওয়ায় তিনি আমাকে বলেন কিভাবে ৫ লাখ টাকা নিবি জানিনা। ঠিকাদারের কাছে থেকে নিয়ে আমাকে দে। এসব অন্যায় কথার প্রতিবাদ করলে তিনি আমার সঙ্গে মারমুখি আচরন করেন।
এব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী বাবুল আখতার বলেন, এসব সব বাজে কথা, এ বিষয়ে কাউকে লাঞ্চিত করা হয়নী। সম্পুর্ন মিথ্যা কথা।