নারী কথনে, জৈবিক যন্ত্র, আয়োজন, প্রজ্ঞা নয়

প্রকাশকাল- ২০:২৯,নভেম্বর ৩০, ২০১৭,মুক্ত চিন্তা বিভাগে

প্রিয়াঙ্কা সরকার
900
আজ কলমে একটু অন্য কথা বলব। হয়ত জীবনী সুরে আমরা অনেক কিছু বলে থাকি। বাস্তব চয়ন,নারী, পুরুষ আদিত্য কেও আমি উপযোগী চরিত্রে কথোপকথনে স্থান দিয়েছি। তাই ভেদাভেদের তুল্যমূল্য আমি করি না। সৃজনের রূপপরিগ্রহ করব বলেই আমার কলমকাঠি কথা।
কথায় – প্রিয়াঙ্কা সরকার
স্তন্যপায়ী প্রাণীর জরায়ুজ সন্তান তাঁদের মাতৃত্ব দেয়। শাবকের পুনর্গঠনের আভাস কিন্তু কম কথা বলে না। তবে এ প্রশ্ন আশঙ্কার। কিন্তু কেন? প্রশ্ন হলো অবয়ব কি মূর্ত মনের মানবী গড়ে পরিণমনের কথা অতুক্ত করে বলবে না? কি জানি, তবু বর্জনের উপাদেয় উপাদান রস হলেও আজ কিছু কটুকতা সমাজ সাধনের স্বাভাবিক ঘটনা বলে আমি কলমে আনব। যেমন? রজ:স্রাব, নাকি নারীকে অচ্ছুত করে। সেদিনের মাতৃত্ব আলাপ তাই নামেই কন্ঠ রোধ করে। কিন্তু যখন স্বামীর বন্ধুরা স্ত্রীকে নগ্ন করে ধর্ষণের পর তাঁর রূপ স্বামীর সামনে প্রকাশ করে, তখন কি সমাজে তাঁরা অচ্ছুত নয়? বিশেষের বাহ্যিক কাতরতা অন্তঃনির্গূঢ় আবেদনের পথিক হবে না? তবে কায়ার দিকে আলোকপাত করে জৈব প্রক্রিয়ায় এতো মান হনন কেন? সাত্ত্বিকে সাবেক আবেগ আছে বলেই কি প্রশ্ন অনবরত? এ প্রশ্ন বার বার। চৈতন্যময় জীবনের প্রেক্ষিত বলে শরীর নাকি সংজ্ঞাহীন যন্ত্র, তবে তার বিচার এমন কেন? আমার প্রশ্ন তাই যন্ত্রকে স্ফুরণ, শক্তি নমনীয় করে গড়ে তোলাটা আমাদের বিধেয়, কিন্তু সেটা তো মুখ্য নয়। যন্ত্র কখনো চৈতন্যের উপরে উঠবে এমন টা চৈতন্য স্বরূপ হতে পারে না, তাই দেহের চৈতন্য সজীবতা বিকারে নয়, আর নারীর যন্ত্র প্রক্রিয়াকরণ অচ্ছুত , কেবল আয়োজন, প্রজ্ঞা নয়।


খাঁ,পুকুর কালনারোড, শতাব্দী সরণী, বর্ধমান,
স্থান – ভারত ।