নিমগাছী-কালিবাড়ি আঞ্চলিক সড়ক খানাখন্দে ভরপুর

প্রকাশকাল- ২০:৩৫,আগস্ট ১৩, ২০১৭,চলনবিলের সংবাদ, স্লাইডশো বিভাগে

Tarash Pic 13-08-17আশরাফুল ইসলাম রনি,তাড়াশ(সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কালিবাড়ি আঞ্চলিক সড়কটি ভগ্নদশা হয়ে পড়েছে। ছয় কিলোমিটার সড়কটির প্রায় পুরোটায় পাকা কার্পেট উঠে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আদিবাসী অধ্যূষিত এ জনপদের মানুষরা পড়েছেন চরম বিপাকে। স্বাভাবিক যান চলাচল দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলতে গেলেও কষ্ট হয় এই পথে। কোথাও কোথাও দেখে বোঝার উপায় নেই এটি একটি পাকা সড়ক।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার তাড়াশ-নিমগাছি সড়কের যৌতুক মোড় থেকে ঝুরঝুরি পর্যন্ত এলজিইডির এ সড়কটির পুরোটা জুড়ে অধিকাংশ স্থানে পাকা কার্পেট ভেঙে ছোট-বড় হাজারও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকছে পানি। সব ধরনের যান চলাচল করছে ধীরগতিতে।
জেলা শহর সিরাজগঞ্জসহ তাড়াশ-সলঙ্গা এবং তাড়াশ-নিমগাছি রাস্তার সাথে কালিবাড়ি সড়কটির দুই দিক থেকে সংযোগ থাকায় এলাকাভিত্তিক এ সড়কটির বেশ গুরুত্ব রয়েছে। দিন রাত ২৪ ঘন্টাই প্রায় এই পথে বিভিন্ন যান্ত্রিকযানসমূহ চলাচল করে থাকে। ফলে গ্রামীণ এ সড়কটির দুই পাশের মাধাইনগড়, কাঞ্চনেশ্বর, ভাটুর পাড়া, শ্যামের গুণ, সাত কুশ্বি, ভেকোমপুর, ইসু দেও, নই পাড়া, ঝুরঝুরি, নিমগাছি, আমশরা, আগরপুরসহ ২০ গ্রামের লাখো মানুষ পড়েছেন চরম বিপাকে।
এ জনপদের আব্দুল হান্নান, ডা. নরেন্দ্র নাথ বসাক, সুশীল বসাক, কোমদ রঞ্জন, সুরেস মাস্টার, অর্পনা রাণী, সুরেস চন্দ্র সরকার, অমূল্য সরকার জানান, বছরের পর বছর ধরে কালিবাড়ি সড়কটি অচল অবস্থায় পড়ে থাকলেও মেরামতের নেই কোন উদ্যোগ। বিকল্প পথ না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই পথেই উপজেলা, জেলা শহরসহ দৈনন্দিন সব কর্ম ক্ষেত্রে যাতায়াত করতে হয়।
সব থেকে মুশকিলে পড়েছেন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং এলাকার বয়োবৃদ্ধ মানুষরা। কাত-চিৎ সড়কে না পারে যান্ত্রিক যানবাহনে চড়তে, না পারে পায় হেঁটে চলতে। শিক্ষার্থীরা একদিন স্কুল-কলেজ থেকে ফিরলে পরের দিন রাস্তার কাঁদা পানিতে সে পোশাক আর পরিধানের কোন উপায় থাকেনা। সুষ্ক মৌসুমে সড়কের লাল ধুলার আস্তরণে ঢেকে যায় আশপাশের বাড়িঘর।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা প্রকৌশলী মো.বাবুল আখতার বলেন, ইতোমধ্যে সড়কটি মেরামতের জন্য প্রস্তুতকৃত প্রাক্কলন অনুমোদনের জন্য এলজিইডির সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।