পাইকগাছায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

প্রকাশকাল- ২১:২৫,অক্টোবর ১০, ২০১৭,খুলনা বিভাগ বিভাগে

খুলনা প্রতিনিধি ॥
খুলনার পাইকগাছায় বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিপাতে ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন কার্যক্রম, বিঘিœত হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিভিন্ন স্থানে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ।
সূত্রমতে, বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত রোববার সকাল থেকে উপকূলীয় পাইকগাছায় শুরু হয় ঝড়োহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত। যা মঙ্গলবার পর্যন্তও অব্যাহত থাকে। ৩ দিনের ঝড়োহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। বিশেষ করে কোনো কাজ করতে না পারায় চরম দুর্ভোগে রয়েছে নিন্ম আয়ের দিন মজুর মানুষেরা। কপিলমুনি সেলিম শেখ জানান, প্রতিদিন দিন মজুরের কাজ করে আমার সংসার চলে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ৩ দিন কোন কাজ করতে পারেনি। ফলে কিছুটা হলেও পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্ভোগে রয়েছি। অপরদিকে ভারী বর্ষণ ও ঝড়োহাওয়ায় দেখা দেয় বিদ্যুৎ বিপর্যয়। রবিবার বিকাল থেকে সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। এদিন রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হলেও অস্বাভাবিক ছিল সরবরাহ। এখন পর্যন্ত অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি বলে জানাগেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার গ্রাহক। কলেজ ছাত্রী শিমুল জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ না থাকায় গত ৩ দিন পড়াশুনার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এদিকে গত ৩ দিনের ভারী বর্ষণে অনেক এলাকায় ওয়াপদার বাঁধ ডেবে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ওই সব এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। সোলাদানা ইউপি চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক জানান, ভারী বর্ষণে সোমবার সকালে ইউনিয়নের ২৩নং পোল্ডারের হরিখালী এলাকার ওয়াপদার বাঁধ অনেকটা জায়গা জুড়ে ডেবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধটি ধ্বসে গিয়ে যে কোনো মূহুর্তে বিস্তির্ণ প্লাবিত হতে পারে বলে স্থানীয় এ জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন। এছাড়াও চিংড়ি ঘের ও ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে গত কয়েক দিনের বর্ষণে সীমাহীন দুর্ভোগে রয়েছেন এলাকাবাসী।

পাইকগাছায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা
খুলনা প্রতিনিধি ॥
খুলনার পাইকগাছায় বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিপাতে ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন কার্যক্রম, বিঘিœত হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিভিন্ন স্থানে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ।
সূত্রমতে, বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত রোববার সকাল থেকে উপকূলীয় পাইকগাছায় শুরু হয় ঝড়োহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত। যা মঙ্গলবার পর্যন্তও অব্যাহত থাকে। ৩ দিনের ঝড়োহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। বিশেষ করে কোনো কাজ করতে না পারায় চরম দুর্ভোগে রয়েছে নিন্ম আয়ের দিন মজুর মানুষেরা। কপিলমুনি সেলিম শেখ জানান, প্রতিদিন দিন মজুরের কাজ করে আমার সংসার চলে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ৩ দিন কোন কাজ করতে পারেনি। ফলে কিছুটা হলেও পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্ভোগে রয়েছি। অপরদিকে ভারী বর্ষণ ও ঝড়োহাওয়ায় দেখা দেয় বিদ্যুৎ বিপর্যয়। রবিবার বিকাল থেকে সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। এদিন রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হলেও অস্বাভাবিক ছিল সরবরাহ। এখন পর্যন্ত অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি বলে জানাগেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার গ্রাহক। কলেজ ছাত্রী শিমুল জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ না থাকায় গত ৩ দিন পড়াশুনার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এদিকে গত ৩ দিনের ভারী বর্ষণে অনেক এলাকায় ওয়াপদার বাঁধ ডেবে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ওই সব এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। সোলাদানা ইউপি চেয়ারম্যান এসএম এনামুল হক জানান, ভারী বর্ষণে সোমবার সকালে ইউনিয়নের ২৩নং পোল্ডারের হরিখালী এলাকার ওয়াপদার বাঁধ অনেকটা জায়গা জুড়ে ডেবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধটি ধ্বসে গিয়ে যে কোনো মূহুর্তে বিস্তির্ণ প্লাবিত হতে পারে বলে স্থানীয় এ জনপ্রতিনিধি জানিয়েছেন। এছাড়াও চিংড়ি ঘের ও ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে গত কয়েক দিনের বর্ষণে সীমাহীন দুর্ভোগে রয়েছেন এলাকাবাসী।