বটগাছের ডালপালা ছেঁটে ফেলায় অবশেষে ঝুঁকিমুক্ত হলো ঈশ্বরদীর প্রাণ কেন্দ্র মাহবুব আহম্মেদ খান স্মৃতি মঞ্চের আশেপাশের দোকানদার ও সিএনজি-টেম্পু চালকরা

প্রকাশকাল- ১৭:০৫,অক্টোবর ২০, ২০১৭,রাজশাহী বিভাগ, স্লাইডশো বিভাগে

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতাঃ
ishwardi-20,10,17-4ঈশ্বরদী শহরের প্রাণ কেন্দ্র ষ্টেশনের বুকিং অফিস সংলগ্ন মাহবুব আহম্মেদ খান স্মৃতি মঞ্চের পাশের বটগাছের ডালপালা রেল কর্তৃপক্ষ ছেঁটে দেয়ায় অবশেষে ঝুঁকিমুক্ত হলো আশেপাশের দাকানদার ও সিএনজি-টেম্পু চালকরা। মঞ্চ সংলগ্ন এই পুরোনো এই বটগাছটি পরিচর্যার অভাবে এর ডালপালা ও শাখা প্রশাখা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে বৈদ্যুতক তারের সাথে জড়িয়ে পড়েছিল। এতে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশংকায় শংকিত ছিল দোকানদার ও চালকরা। এই বিষয়ে বারংবার রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য বললেও প্রাশাসনিক জটিলতায় উদ্যোগ নেয়া হয়নি। চা বিক্রেতা গোলাম আযম জানান, সর্বশেষ স্থানীয় ১১ জন ষ্টেশন সুপারিনটেন্ডএর নিকঠ এবিষযে লিখিতভাবে আবেদন করেন। ষ্টেশন সুপারিনটেন্ড জানান, আবেদন পাওয়ার পর সরেজমিনে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে পাকশীতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়ার পর ডালপালা ও শাখা প্রশাখা কেটে ঝুঁকিমুক্ত করি। বিলম্ব প্রসংগে তিনি জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনমতি ছাড়া আমার পক্ষে গাছছাট সম্ভব হয়নি। চা বিক্রেতা আনসার আলী জানান, প্রতিদিনই আশংকায় থাকতাম কখন না জানি দুর্ঘটনা ঘটে। সিএনজি চালক কামরুজ্জামান উজ্জল বলেন, সিএনজি নিয়ে ষ্ট্যান্ডে অবস্থান করার সময় ভয়ে ভয়ে থাকতাম। গাছের ডাল ভেঙ্গে বা বিদ্যুতপৃষ্ঠ হয়ে নাজানি কখন দুর্ঘটনা ঘটে। একই কথা বললেন ডিম দোকানী সাইদুল রহমান ও সেলুনের দোকানদার আক্কাস মিঞা। তার আরো বলেন, ঝড়ের সময় আল্লাহএক ডাকতাম, যেন ডাল ভেঙ্গে না পড়ে।
এদিকে বটগাছ কেন্দ্রীক কতিপয় অসাধু লোক এই গাছকাটাকে নিয়ে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করার পায়তারা করছে বলে জানা গেছে। গাছটির ঝাড় পরিস্কার হয়ে উন্মুক্ত হওয়ার কারণে আড়ালে-আবডালে অপকর্মকারীরা বেকায়দায় পড়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দোকানদারা জানিয়েছেন।