বন্যায় প্লাবিত লালমনিরহাট এক শিশুর মৃত নিখোঁজ ৩ লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি

প্রকাশকাল- ২১:১২,আগস্ট ১৩, ২০১৭,রংপুর বিভাগ বিভাগে

Lalmonirhat Pic-13বদিয়ার রহমান,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি। কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বর্ষনে আর উজান থেকে পাহাড়ীঢলে নেমে আসা প্রবল স্রোতে লালমনিরহাটের ৫ উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ভারতের গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজের ২১টি গেট খুলে দেয়ায় পুরো লালমনিরহাট জেলা বন্যায় প্লাবিত হয়। লালমনিরহাট তিস্তা ব্যারেজে রেড এর্লাট জারী করা হয়েছে। সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ভেলায় পারাপারের সময় প্রবল স্রোতে এক শিশু পানিতে পরে তার মৃত হয়। এসময় ওই পরিবারের আরো ৩ জন নিখোঁজ হয়েছে। কুলাঘাট ইউনিয়নের ধরলা, খুনিয়াগাছ,রাজপুর আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের হাতিবান্ধায় সানিয়াজানসহ কয়েকটি ইউনিয়নে বাঁধ ভেঁঙ্গে যাওয়ায় ডুবে যায় প্রায় ৬০টি গ্রামের বসতবাড়ী। বুড়িমারী রেললাইন ভেঁঙ্গে যাওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ। বন্ধ হয়ে গেছে বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি। রেল লাইন ও রাস্তায় প্রবল স্রোতে হাটবাজার ও যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। জীবনের তাগিদে গরু,ছাগল,হাঁস,মুরগী নিয়ে রাস্তায় বৃষ্টিতে তাবু ঝুলিয়ে রয়েছে লাখ লাখ মানুষ। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির দেখা দিয়েছে প্রচন্ড সংকট। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পানিবন্দি মানুষদের মাঝে দেখা যায়নি তেমন কোন ত্রাণ বিতরণ। সদর উপজেলার কুলাঘাট ধরলা এলাকার বাসিন্দার আব্দুল জব্বার,শিবিরকুটির জগদীশ চন্দ্রসহ শতশত পানিবন্দি মানুষ জানান, হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।তাদের উদ্ধারের কোন ব্যবস্থা এখনো নেয়নি প্রশাসন। ফলে কঠিন মানবেতর জীবন যাপন চলছে পানিবন্দি মানুষের। লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিকুল ইসলাম,আদিতমারীর আসাদুজ্জামান,হাতিবান্ধার সৈয়দ এনামুল হক কবির বলেন, পানিবন্দি পরিবারদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।