” বে নী আ স হ ক লা ” – রামধনু গ্রাম

প্রকাশকাল- ২২:১৬,নভেম্বর ২০, ২০১৭,মুক্ত চিন্তা বিভাগে

প্রিয়াংকা সরকার

pri

কথায় বলে রঙিন চোখে মানুষ সবকিছুতেই অন্যরকম দেখে। কিন্তু কি দেখে, আসলে বাস্তবের রূঢ় সত্য মেনে চলা সাধারণ মানুষের কাছে একটু অসম্ভব ঠিকই। কিন্তু কামপুং পোলাঙ্গি, হু ইন্সট্রোগ্রামে এ ছবি এখন যেন ইন্দোনেশিয়াকে অন্যমাত্রা দিচ্ছি। আরে এটা কিন্তু মিথ্যা কথা নয়, এটা একটি গ্রামের নাম।বাড়ির ছাদ টেরাকোটাগগুলি যেন নানা রঙের বৈচিত্র‍্যে নিজেকে প্রাণবন্ত করেছে। আর করবেই নাই বা কেন? এমন বেগুনী, নীল, সাদা, হলুদ, কালো, আকাশী, লালে ভরা গ্রাম তো মানুষ কে আকর্ষণ করছে। এমনিতেই বলা হয় রঙ মানুষের মনের উপর প্রভাব ফেলে। হ্যাঁ, ফেলেই তো, তাই তো গোটা বস্তি জুড়ে এই ব্যবস্থা। এই নাম কামপুং পেলাঙ্গি।

ভারতীয় টাকার ১৪ কোটি খরচ করে বদলে ফেলা হয়েছে সব, যেমন বাড়ির ছাদ, তেমন দেওয়াল, রেলিং, বারান্দা সব। আর বৈচিত্র‍্য জুড়ে আছে পর্যটকদের মন। রঙের প্রাণের স্পন্দন পেতে এর কিন্তু জুড়ে মেলা ভার। কিন্তু এ হলো কি করে? নিশ্চয় সে খবরও আছে এই যে রঙিন পরিবর্তন, তার পিছনে আছে ৫৪ বছর বয়সী স্ল্যামেত উইদোদো নামের এক ব্যক্তি। জানেন কি, এখানে প্রায় ২৩২ টি বাড়তে প্রায় তিনটি করে রঙ বর্তমান।

সামাজিক যোগাযোগ হয়ত বা এর ছবি ভাইরাল হয়েছে, যেমন ইনস্ট্রোগ্রামেও, সোস্যালমিডিয়ায় উঠে এসেছে, নতুন ভাবে ভিডিও আকারে। কিন্তু আর যাই হোন পর্যটনদের মনপ্রাণ কেড়ে এক নতুন মাত্রা দিয়ে “রেনবো ভিলেজ ” আজ আলোচনায় মুখে মুখে ফিরছে। আর অর্থনীতি বিস্তর উন্নত হয়েছে, তাই এটাই বা কম কিসের। এখানেই প্রাণিত রঙের সার্থকতা।

বর্ধমান, ভারত।