মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশনের শুনানী নতুন করে পাবনা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত

প্রকাশকাল- ২১:৫২,আগস্ট ২১, ২০১৭,রাজশাহী বিভাগ বিভাগে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে গত ২০ আগস্ট এক রিট পিটিশনের শুনানী শেষে বিচারপতি তারিকুল হাকিম এবং বিচারপতি মোহাম্মদ ফারুক (এম ফারুক) এর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বেঞ্চ এক আদেশ জারি করেছেন। আদেশে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের ২৯ মের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নতুন করে পাবনা সদর উপজেলা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আদেশে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়েরর প্রজ্ঞাপনকে কেন বে-আইনী ও অকার্যকর ঘোষণা করা হবেনা মর্মে রিট পিটিশনের পক্ষভুক্ত মুক্তিযাদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, উপসচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহা পরিচালক এবং পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। রিট পিটিশনের শুনানীতে বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, সিনিয়র এ্যাড. জাহিদুল বারি। তাকে সহায়তা করেন এ্যাড. নাফিস আহম্মেদ চৌধুরী, এ্যাড. রজব আলী, এ্যাড. ফাতেমা সুলতানা, এ্যাড. নাসিমুল হাসান, এ্যাড. নাজমূন নাহার এবং এ্যাড.রাইসুল ইসলাম।

সূত্র মতে জানা গেছে, গত ২৯ মে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের গেজেট অধিশাখার উপসচিব মোঃ জুলফিকার আলী হায়দারী স্বাক্ষরিত স্মারক নং – ৪৮.০০.০০০০.০০৪.৪৯২৩৩২০০৯.১৭-১৬৯৮ এর প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পাবনা সদর উপজেলার নির্বাচিত কমান্ডার আবুল কাশেম বিশ্বাসকে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই পাবনা সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কমিটির সদস্য পদ থেকে বাদ দিয়ে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলী জব্বারকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই কমিটির সদস্য অন্তর্ভূক্ত করে নতুন ভাবে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাচাই করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পর পাবনা সদর উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাশেম বিশ্বাস তার নাম বাদ দিয়ে নতুন করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে কমিটি গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে গত ১০ আগস্ট মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। রিট পিটিশন নং-১১৬০০। রিট পিটিশনে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, উপসচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহা পরিচালক এবং পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হয়।