রাজশাহীতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ভার্কের ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশকাল- ১৯:০২,সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭,রাজশাহী বিভাগ বিভাগে

নাজিম হাসান,রাজশাহী প্রতিনিধি:
ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এনজিও’র নির্বাহী পরিচালকসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজশাহীর মোহনপুর থানার ৬টি শাখার ব্যবস্থাপকসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্টাফের পক্ষে বাদি হয়ে পৃথক পৃথক রাজশাহীর আমলী ১নং আদালত (মোহনপুর) ৬টি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলা গুলো তদন্ত করার জন্য মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদিরা ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) এনজিও’তে যোগদান করে দীর্ঘদিন ধরে চাকুরি করে আসছেন। চাকুরিতে যোগদানের পর থেকে বেতন থেকে নিয়মানুসারে কল্যাণ ফান্ড, প্রভিডেন্ড ফান্ড, গ্রাচ্যুইটি ফান্ড, কো-অপারেটিভ ফান্ডে কুপনের মাধ্যমে ১০ বছর ধরে নিয়মিত টাকা জমা দিয়ে আসেন। কিন্তু ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক) নির্বাহী পরিচালক শেখ আব্দুল হালিম (৬৫), উপ-নির্বাহী পরিচালক ইয়াকুব হোসেন (৬২), অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক আনোয়ার হোসেন (৬৫), সাবেক সেক্রেটারী সহযোগী সমন্বয়কারি ও কো-অপারেটিভ সোসাইটি শহিদুল ইসলাম (৬০), সহ-সম্বয়কারি (প্রশাসন) ইউসুফ হোসেন (৪৫), কো-অপারেটিভ সোসাইটির সহযোগি সমন্বয়কারি ও সেক্রেটারী মাসুদ রায়হান (৪৩), অভ্যন্তরীন প্রধান নিরক্ষক রায়হান উদ্দিন সরকার (৪৮), ফেরদৌস রহমান (৪০), কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রশিদ মৃধা (৪৫) মিলে ১ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৭শ’ ৫ টাকা আত্মসাৎ করেন। মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে কো-অপারেটিভ সোসাইটির নামে প্রত্যেক স্টাফের কাছ থেকে প্রতিমাসে সর্বনিন্ম ৫শ’ টাকা বেতন কর্তন করে আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও দুর্যোগ কবলিত এলাকার ভার্কের ক্ষতিগ্রস্থ সদস্যদের ঋনের টাকা মওকুফের জন্য সঞ্চিতি করা হলেও চলতি অর্থ বছরের জুলাই মাসে এল এল পি ফান্ডের প্রায় ১ কোটি টাকা ভার্কের সকল শাখা অফিস হতে ডকুমেন্ট মুছে দিয়ে ভূয়া সমন্বয় দেখিয়ে আত্মসাৎ করেন। মামলার বাদি ও স্বাক্ষী এবং অন্যান্য স্টাফেরা তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত চাইলে ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট মোহনপুর শাখা অফিসে উক্ত কর্মকর্তারা প্রাপ্য টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে এবং চাকুরীচ্যুতি ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করেন। মোহনপুর এরিয়ার ৬টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক সকল স্টাফের সাথে আলোচনা করে ৫ সেপ্টেম্বর নির্বাহী পরিচালকসহ ৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক পৃথক ৬টি মামলা দায়ের করেছেন।