“রূপায়ণে জীবন অভিসম্পাত “

প্রকাশকাল- ১৯:৪৭,অক্টোবর ১৩, ২০১৭,অনাবিল সাহিত্য বিভাগে

♦প্রিয়াঙ্কা সরকার ♦

jibon

মৌনী মনে আমার ঘনট । আরে না না আমার কথক গো, আসলে নামটাই তো সবলীল নয়। বশিষ্ঠের সেই বংশীয় ব্রাহ্মণ। কিন্তু এই ব্রাহ্মণ কি দেশ কাল পাত্র ভেদে আমাদের কুপ্রথায় সেই সর্বস্ব হনন বলিষ্ঠ একনায়কতন্ত্র? মনে পড়ে বিদেশেও সেই ফরাসী এস্টেটের ভাগ। প্রথমেরি ব্রাহ্মণদের জন্য বিভাজন। তবে তন্বী হয়েছি কালির কলমে তাই আমার ঘনট তপস্যারত শৈব। মহাদেবের চরণে নিজেকে নিয়োজিত প্রাণ। আরে, আমি পুরাণ অনুসারে সাজাইনি গো, তাকে আমি মানবী প্রতিফলনে সাজাতে গিয়ে ঘনপাঠের অংশ করে ফেলছি।

এ কালের ঘনট আমার, একটু একাট্য মনের কারক। পাঠের সৌকর্য সাধু, দেবলের মেয়েকে ভালোবাসে। আর আমার এ কালের ঘনট ও তাই কিন্তু, সে যে ভালোতে থাকতে ভালোবেসেছিল। তবু আমার ঘনট প্রতিপত্তির সাজে পরাজিত নর, তাই মুক্তির অবকাশ নেই। মেয়ের বাবা, সেদিন অভিসম্পাত করেছিলা,তাই সেকালের ঘনট মুক্তি পাইনি, পেচকে রূপান্তরিত হয়। তবে উপায় ছিল, কারণ দেবল তাকে শাপ মুক্তির উপায় বলেছিলেন। আর আজ বর্তমানের ঘনট অহমিকার চোরা স্রোতে হারিয়ে গেল। সবাই বলল জীবন থেকে পালিয়ে বাঁচল আমার ঘনা। শেষ হয়েছে তার অভিসম্পাতের কায়া। কিন্তু শেষ হয়নি পলাতকের চরিত্র। দিন আসছে আরো শত পলাতক এলো, শুধু নিশ্চিহ্নের দোড় গোড়ায় – “এ পৃথিবীতে ঘনট দিয়ো না”।

কারণ- ভালোবাসার গলা টিপে এ ঘনটকে আমি জন্ম দিতে চাই না, এ তার নয়, আমার অভিসম্পাত।