হত্যার পর স্কুলছাত্রীর লাশ নদীতে দেলওয়ারের দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবি করে মানবন্ধন ॥ স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশকাল- ২২:৩৭,আগস্ট ১৩, ২০১৭,সিলেট বিভাগ বিভাগে

pic-kamalgongমশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার ঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী রাবিনা বেগমকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর ধলাই নদে ফেলে দিয়েছিল আদমপুর ইউনিয়নের দেলওয়ার হোসেন। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক দেলওয়ারকে গত ১০ আগষ্ট রাতে গ্রেফতার করে ১২ আগষ্ট মৌলভীবাজার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় আসামী দেলওয়ারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে আজ ১৩ আগষ্ট দুপুরে ইসলামপুর ইউনিয়নের সহ¯্রাধিক গ্রামবাসী মানববন্ধন করে পরে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। ইসলামপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য মৃনাল কান্তি সিংহ ও আব্দুল খালিকের নেতৃত্বে সহ¯্রাধিক গ্রামবাসী বেলা ১২টায় প্রথম দফা কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন চত্তরের সামনের রাস্তায় মানববন্ধন করে। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা সদরে অবস্থায় করায় পরবর্তীতে গ্রামবাসীরা ২১ কি:মি: দূরে মৌলভীবাজার জেলা সদরে গিয়ে জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল-এর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে স্মারক লিপি প্রদান করেন। মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে ফিরে বিকাল চারটায় গ্রামবাসীরা কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে গ্রামবাসীরা বলেন, পুলিশ স্কুর ছাত্রীর হত্যাকারী দেলওয়ারকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। এখর মামলার সুষ্ঠু তদন্তক্রমে আসামীর দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছেন তারা। উল্লেখ্য- ইসলামপুর ইউনিয়নের ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রী রাবিনা বেগমকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বেশ কয়েক দিন আটকিয়ে রেখে হত্যা করে পরে লাশটি ধলাই নদে ফেলেছিল। ছাত্রীর বাবা কাইয়াম উদ্দীনের দায়ের করা সাধারন ডায়ের সূত্রে এ ঘটনায় পুলিশ সন্দেহমূলকভাবে দেলওয়ার হোসেনকে গত ১০ আগষ্ট রাতে আটক করে।