ভাবের সৃজনে ভাবী কাল হোক বার্তা অবয়বে

প্রকাশকাল- ১৪:৩২,অক্টোবর ১, ২০১৭,মুক্ত চিন্তা বিভাগে

প্রিয়াঙ্কা সরকা
bartaরঙের প্রাচুর্য আর আশ্চর্য ভালো থাকার ভালোর অবদান ছিল গতকাল। রোশনাই ছিল আলোর প্রকট আলাপে জীবন্ত মেকী সভ্যতা। তাই সাধের রোশনাই ছাড়ল মন, আর নিজেকে আঁকড়ে নিয়ে বেড়িয়েছিলাম সাধারণীর খোঁজে। কি করব ভাবের ঘরে অনল বলল বড়ো অস্থির সে, তাই তো আলাপ করল আমার অনুভূতির সত্ত্বার আপমর যমুনার ঘাটে। রাধার মতো বাধ সাধল না মনের বিরাগ, আর দ্রুত পদচারণ করল গরীবের কুঁড়ের সৃজনে।
কথা ছিল না তুমি আলোকদিশারী হবে একান্তে একাট্য ব্যক্তিত্বে। তাই একটু আশ্চর্য হয়েই পথের ধারে অন্ধকারে বাঁশির সুরে একাকী সৃজনে বসেছিলাম। তুমি তো রোশনাই সাক্ষী, আমি একাকী মনের আগলে অচিন পাখির টানে নিবিড় পথের সঙ্গী হলাম। তাই সামাজিক আহ্বান ছেড়ে আমি নিত্যপথের যাত্রী কুঁড়ে আলয়ের ভাবী হলাম সৃজনী আবাদী কলমে। কিন্তু অসাম্যের আলাপী মনন দু:খ দিলেও সংলাপ সাথী হতে ক্ষতি কি? গরীবের মনন তবু এই যে, বাঁচার তাগিদ সাহিত্যে আছে – আবেগ আছে, আধার আছে, তন্নিষ্ট ফসলী সম্ভার আছে কিন্তু বাস্তবায়ন কোথায়? স্বাক্ষর আছে, তাই আমি আর আমার বাস্তবিক আক্ষরিকতা আমিত্ব ভেদে সাধারণীতে বিরাজমান হলাম। আলোর রোশনাই কি আলোকমনন নয়? তবে বিবাদী আলাপে আজ নয়। আকুল প্রাণের সঞ্চারণে আবেগী অন্তরীণ চয়নে কলমের কথক হলাম। বাস্তব সেই আলেখ্যে থাক, ধন্য মূলক আবেদন সার্থকতা পাক ভাবের অনুভূতির মিলনে, কলম তোমার সৃজনে গরীব মানুষের সৃজনী সার্থকতা দিক মুখ্য আবেদনে। তাই রোশনাই চাই না, সৃজন চাই অনুভূতির আবেদনে,ভালোলাগা না , অন্তরীকরণ আবেশ যথার্থ পাক অম্লান ভাষ্যে।